• ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ০৪ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vice President

দেশ

দেশের নয়া উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন, বিরোধী প্রার্থী পরাজিত ১৫২ ভোটে

এনডিএ প্রার্থী তথা মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি.পি. রাধাকৃষ্ণন উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী ঘোষিত হয়েছেন। রাজ্যসভা সচিব জেনারেল পি.সি. মোদি জানান, রাধাকৃষ্ণন পেয়েছেন মোট ৪৫২টি প্রথম পছন্দের ভোট। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী, প্রাক্তন বিচারপতি সুদর্শন রেড্ডি পান ৩০০টি প্রথম পছন্দের ভোট। অর্থাৎ ১৫২ ভোটের ব্যবধানে জয় পেলেন রাধাকৃষ্ণন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া চলে। এখন রাধাকৃষ্ণন দেশের নতুন উপ-রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন।বিজেডি, বিআরএস ও শিরোমণি আকালি দল ভোট থেকে বিরত থাকে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক দলগুলি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করল। বিজু জনতা দল(বিজেডি), ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) এবং শিরোমণি আকালি দল (এসএডি) ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।বিজেডি জানায়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটদুই শিবির থেকেই সমদূরত্ব বজায় রাখাই তাদের নীতি। বিআরএস কার্যনির্বাহী সভাপতি কে.টি. রামা রাও বলেন, তেলেঙ্গানার কৃষকদের ইউরিয়ার সংকট নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়েই উদাসীন। সেই ক্ষোভ প্রকাশ করতেই ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে পাঞ্জাবের বন্যা পরিস্থিতির কারণে শিরোমণি আকালি দল এই নির্বাচন বয়কট করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

বাংলার রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকেই বন্ধ ছিল, ফের পেনশনের আবেদন জগদীপ ধনখড়ের

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় দক্ষিণ দিল্লির ছাত্তরপুর এনক্লেভে ব্যক্তিগত আবাসনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি, তিনি আবারও রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য (এমএলএ) হিসেবে পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ৭৪ বছর বয়সী ধনখড়কে সংসদ ভবন চত্বর সংলগ্ন চার্চ রোডে অবস্থিত উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন খালি করতে হবে। গত ২১ জুলাই তিনি স্বাস্থ্যজনিত কারণে পদত্যাগ করেন।ধনখড় গত বছরের এপ্রিলে উপরাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনে ওঠেন। সরকারি আবাসন মেলানো পর্যন্ত তিনি ছাত্তরপুর এনক্লেভেই থাকবেন বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের টাইপ-৮ বাংলো বরাদ্দ করা হয়। এর দায়িত্বে থাকে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের এস্টেটস দফতর। যদিও সূত্রের খবর, দফতরের আধিকারিকেরা ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেও নতুন আবাসন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।ধনখড়ের দফতর ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাসস্থানের আবেদন জমা দিয়েছে। সাধারণত বিকল্প বাংলো প্রস্তাব দেওয়ার পর নির্বাচন ও সিপিডব্লিউডি-র সংস্কারকাজ মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়ায় অন্তত তিন মাস সময় লাগে। তাই এর মধ্যেই তিনি আপাতত ব্যক্তিগত আবাসনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।একই সঙ্গে ধনখড় রাজস্থান বিধানসভার সচিবালয়ে বিধায়ক পেনশনের জন্য আবেদন করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি কিশনগড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এমএলএ ছিলেন। তখন থেকে তিনি বিধায়ক পেনশন পেতেন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হওয়ার পর সেটি বন্ধ হয়। ২০২২ সালে তিনি উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।সূত্রের খবর, ধনখড়ের আবেদন ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, একবারের বিধায়ক পেনশন মাসে ৩৫,০০০ টাকা। বয়স ও মেয়াদের ভিত্তিতে তা বাড়ে। ৭০ বছরের বেশি হলে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি মেলে। ফলে ধনখড়ের ক্ষেত্রে মাসিক পেনশন দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪২,০০০ টাকা।এছাড়া, তিনি প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রায় ২ লক্ষ টাকা মাসিক পেনশন এবং প্রাক্তন সাংসদ (১৯৮৯-১৯৯১, ঝুঝনু) হিসেবে আরও প্রায় ৪৫,০০০ টাকা মাসিক পেনশন পাবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

তারাপীঠে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়, দেশের মঙ্গল কামনায় করলেন প্রার্থণা

সস্ত্রীক মা তারাকে পুজো দিলেন দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। দেশের মঙ্গল কামনা করে মা তারার কাছে প্রার্থণা করলেন তিনি। আজ বেলা ১০টা ১৫ মিনিটে তারাপীঠ মন্দিরে পৌঁছান উপরাষ্ট্রপতি। তারপর মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে পুজো অর্চনা করেন। পুজো দিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, মা তারার কাছে দেশের মঙ্গল কামনা করছি। মা তারার দর্শনে আমরা দুজনে এক আলাদা অনুভুতি পেয়েছি।আজ, শুক্রবার দিল্লী থেকে বিমানে করে পানাগড় পৌঁছান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তারপর সেখান থেকে বায়ুসেনার চপারে চড়ে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বীরভূম-ঝাড়খণ্ড সীমানার বায়ুসেনার সুঁড়িচুয়া এয়ারবেসে অবতরণ উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তারপর সেখান ১০টা১৫ মিনিটে সড়ক পথে পৌঁছান তারাপীঠ মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর ১০টা৩৫ মিনিটে তারাপীঠ থেকে বেড়িয়ে ১১টা ২০ মিনিটে ফের বায়ুসেনার চপারে চড়ে পানাগড়ের উদ্যেশ্যে রওয়ানা দেন।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
রাজনীতি

জেলবন্দি অনুব্রত মন্ডলের বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতির পদত্যাগ, কেন?

গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি জেলবন্দি। এই সময়ে দল ছাড়লেন তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি বিপ্লব ওঝা। সেই সঙ্গে বীরভূমের জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করলেন তিনি। মঙ্গলবার ঘট করে সাংবাদিক সম্মেলনে দলত্যাগ ও পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন বিপ্লববাবু।একসময় বিপ্লব ওঝা বীরভূম জেলা কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি ছিলেন তিনি। ২০০৭-এ তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। ২০০৯ বীরভূম লোকসভায় তৃণমূলের টিকিটে সংসদ শতাব্দী রায় জয়ী হন। তারপরই প্রথম সমস্ত কাউন্সিলর নিয়ে তৃণমূল যোগদান করেন বিপ্লববাবু। সে সময় নলহাটি পুরসভা রাজ্যে তৃণমূলের প্রথম দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। নলহাটি বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। জিততে পারেননি। বামফ্রন্টের কাছে পরাজিত হন।পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূলের টিকিটে জেলা পরিষদের সদস্য হন। কিন্তু তাঁকে কোন পদে রাখা হয়নি। কিন্তু বছরখানেক ধরে দলে ব্রাত্য করে রাখা হয় বিপ্লববাবুকে। সেই আক্ষেপেই তিনি দলত্যাগ করলেন বলে দাবি বিপ্লববাবুর। তবে এখনও কোন দলে যোগদান করছেন সে কথা না জানাননি। তবে আজই নলহাটিতে আসছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চেই বিপ্লববাবুর বিজেপিতে যোগদান করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তিনি যে রাজনীতি থেকে সরে যাবেন না তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
দেশ

দলের নির্দেশ অমান্য় শিশির ও দিব্য়েন্দুর, সাংসদ পদ ছাড়ার দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের

দলের নির্দেশ অমান্য করে উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিলেন কাঁথি ও তমলুকের দুই তৃণমূল সাংসদ। শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী এদিন উপরাষ্ট্রপতি ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত ওই দুজনের। শুভেন্দুর পরিবারের এই দুই সাংসদের ভোট কোন দিকে গিয়েছে তা আর বলার অবকাশ থাকে না বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।তৃণমূল কংগ্রেসের উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত আপাতত দুই অধিকারী সংসদের ভোট দেওয়া বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব। রাষ্ট্রপতি পদে কয়েকজন তৃণমূল সাংসদের ভোট নিয়ে সংশয় ছিল নেতৃত্বের। জোর দিয়ে বলার উপায় ছিল না তাঁরা কাকে ভোট দিয়েছেন। এবার ভোট না দেওয়ার ফতোয়া দেওয়া সত্বেও ভোট দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা ও ভাই। স্বভাবতই এক একে দুই করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৭, ২০২২
দেশ

কেন বিজেপি এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসাবে জগদীপ ধনকড়কে বেছে নিল?

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র সহ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছে। উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ আগস্ট। এই পদে ধনকড়কে বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, রাজস্থান এবং হরিয়ানায় আসন্ন নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে হবে, এই দুই রাজ্যই কৃষি প্রধান, বিজেপি সে হাওয়া কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক লভ্যাংশ তোলার অঙ্কে ঝাঁপিয়েছে। ধনকড়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রামীণ পটভূমি এবং জাট সম্প্রদায়ের সমর্থন বিজেপির পক্ষে কাজ করবে বলে তাঁদের আশা।কিষাণ পুত্রধনকড়ের নাম ঘোষণা করার সময়, ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ধনকড়কে একজন কিষাণ পুত্র (কৃষকের সন্তান) হওয়ার জন্য প্রশংসা করে বলেছিলেন ধনকড় নিজেকে জনগণের রাজ্যপাল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। জেপি নাড্ডা ধনকড়ের নম্র স্বভাব এবং মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করার ক্ষমতা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন।Kisan Putra Jagdeep Dhankhar Ji is known for his humility. He brings with him an illustrious legal, legislative and gubernatorial career. He has always worked for the well-being of farmers, youth, women and the marginalised. Glad that he will be our VP candidate. @jdhankhar1 pic.twitter.com/TJ0d05gAa8 Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022এখানে উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর সামাজিক মাধ্যমে উপরাষ্ট্রপতি পদ পার্থী জগদীপ ধনকড়কে কিষাণ পুত্র বলে সম্বোধন করেছেন। তিনি টুইটে লিখেছেন, কিষাণ পুত্র জগদীপ ধনকড়-জি তাঁর নম্র স্বভাবের জন্য পরিচিত। তিনি একজন বিখ্যাত আইনজীবী। তিনি আইন প্রণয়ন, প্রশাসন এবং সরকারের মধ্যে এক যোগসুত্র তৈরি করেন। তিনি সর্বদা কৃষক, যুবক, মহিলা এবং প্রান্তিকদের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। আমরা এই ভেবে যার পরনাই আনন্দিত যে তিনি আমাদের উপরাষ্টপতি প্রার্থী হবেন।জগদীপ ধনকড় রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার কিথানা গ্রামের আদি বাসিন্দা। ভারতীয় জনতা পার্টি, কৃষক পুত্র ধনকড়কে বেছে নিয়ে কৃষকদের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে যে এটি একটি কৃষকপন্থী দল।সাংবিধানিক জ্ঞানপশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের প্রগাঢ় আইনি ও আইনিসভার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ১৯৮৯-এ ঝুনঝুনু সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা থেকে নবম সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি চন্দ্রশেখর সরকারের সংসদীয় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ অবধি রাজস্থানের আজমির জেলার কিষাণগড় বিধানসভায় জয়লাভ করে রাজস্থান বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।ধনকড় লোকসভা এবং রাজস্থান বিধানসভা উভয় ক্ষেত্রেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। ধনকড় সুপ্রিম কোর্ট এবং রাজস্থান হাইকোর্ট দুই জায়গাতেই বর্ষীয়াণ আইনজীবী ছিলেন।৩০ জুলাই, ২০১৯-এ ধনকড় বিধানসভা ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিযুক্ত হয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন এবং রাজ্য বিধানসভার সাথে কোনও বিতর্ক উত্থাপনের সময় তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আইন এবং সংবিধান অনুসরণ করে চলবেন।ধনকড়ের প্রশংসা করে, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে তিনি আইন প্রণয়ন বিষয়ে বিশেষ পারদর্শী এবং রাজ্যসভার জন্য তিনি একদম সঠিক ব্যক্তি হবেন।রাজনৈতিক এবং আইনগত অভিজ্ঞতাতিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হয়ে গেলে, জগদীপ ধনকড়ের রাজনৈতিক ও আইনি অভিজ্ঞতা বিজেপিকে উচ্চকক্ষে বিল পাস করতে এবং বিরোধী নেতারা যেখানে বেশি সক্রিয় থাকে সেখানে হাউস চালানোর জন্য চুক্তিগুলি সহজতর করতে সহায়তা করতে পারে।Shri Jagdeep Dhankhar Ji has excellent knowledge of our Constitution. He is also well-versed with legislative affairs. I am sure that he will be an outstanding Chair in the Rajya Sabha guide the proceedings of the House with the aim of furthering national progress. @jdhankhar1 pic.twitter.com/Ibfsp1fgDt Narendra Modi (@narendramodi) July 16, 2022উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বসে, জগদীপ ধনকড়ের বর্তমান চ্যালেঞ্জ হল রাজ্যসভার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা এবং মুলতুবি থাকা বিলগুলিতে ঐক্যমতে পৌঁছানো। এইমুহুর্তে রাজ্যসভায় ২৬টি বিল মুলতুবি রয়েছে।জাট ফ্যাক্টররাজস্থান এবং হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৪-এর নির্ধারিত, এবং সেই ভোটে জয়-পরাজয়ে বিশেষ ভূমিকা থাকবে জাট ভোটারদের। বিজেপির আশা সেই ভোটে ধনকড়ের উপরাষ্ট্রপতি একটা ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে।যদিও জাটরা রাজস্থানের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ, শেখাওয়াতি এবং মারওয়ার অঞ্চলে তাদের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। এদিকে, কয়েক দশক ধরে হরিয়ানার রাজনীতিতে জাট সম্প্রদায়ের আধিপত্য রয়েছে। বর্ণ সমীকরণের অঙ্ক বিজেপিকে ২০১৪-র হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দিয়েছে।২০১৩ পর্যন্ত, বিজেপি ব্রাহ্মণ, ব্যবসায়ী ও রাজপুতদের দল হিসাবে পরিচিত ছিল। ২০১৩ পর, বিজেপি হরিয়ানায় জাট সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছেছিল। উল্লেখ্য জাট সম্প্রদায় হরিয়ানার জনসংখ্যার প্রায় ২৫ থেকে ২৮ শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির আবার 'মাস্টারস্ট্রোক'? একজন শিয়া মুসলিম নেতা ধনখড়ের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন বাংলায়

ভারতীয় জনতা পার্টি-র সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে উপ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল কে হবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চুড়ান্ত জল্পনা শুরু হয়েছে। মাত্র দুবছর পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে আশাতীত ভালো ফলের পর ২০২৪-এও রাজ্যে ভালো ফল পেতে মরিয়া বিজেপি শিবির। এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল পদে কে বসতে পারেন তা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি সূত্রের খবর, তারা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদের জন্য উত্তরপ্রদেশের একজন শিয়া মুসলিম নেতা মুখতার আব্বাস নকভির কথা ভাবছেন। অতি সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রক থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।জগদীপ ধনখড়কে ২০১৯-এ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল৷ সাধারণভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যপালের নাম চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই নাম নিয়ে প্রাথমিকভাবে পরামর্শ করে ঘোষণা করেন। যদিও সাংবিধানিক ভাবে এই আলোচনা কনওভাবেই বাধ্যতামূলক নয়। তবে, ফেডারেল কাঠামোতে এটি একটি প্রচলিত প্রথা। কিন্তু জগদীপ ধনখড়ের ক্ষেত্রে, তৎকালীন তৃণমূল সরকার অভিযোগ করেছিল, রাজ্যপাল হিসাবে ধনখড়ের নাম ঘোষণা করার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যপালের নিয়োগের বিষয়ে অবহিত করার জন্য ডেকেছিলেন।সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখমন্ত্রী খোলাখুলি ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। ফলস্বরূপ, ধনখড়ের নিয়োগকে ঘিরে প্রাথমিকভাবে যে ফাটল তৈরি হয়েছিল তা সময়ের সঙ্গে ক্রমশ প্রসারিত হয়। তিক্ততা চরমে পৌঁছয়। ধনখড়ের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নজিরবিহীনভাবে একটি নিন্দা প্রস্তাব নিয়ে আসে।অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সচেতন মানুষের প্রশ্ন, এবার কী হবে? পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিয়োগের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ফোন করবেন অমিত শাহ? লোকসভা নির্বাচনের আগে ধনকড়কে সরিয়ে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ইতিবাচক বার্তা পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আগামী দিনে যে নতুন গভর্নর আসবেন, তিনি কি সংঘাতের পথ ধরে রাখবেন না সমঝোতার পথে হাঁটবেন? বিজেপি সূত্রে খবর, নকভি এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি একজন প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা। তিনি অটল বিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় মমতার এক সময়ের সহকর্মীও ছিলেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে নকভি যথেষ্ট দক্ষ ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে এর আগে। অনেক রাজনীতিবিদই মনে করেন যে ধনখড় যেভাবে মমতার প্রকাশ্যে বিরোধিতা করতেন সে পথে হয়তো তিনি হাঁটবেন না। এছাড়া নকভির ওপর সরাসরি আক্রমণ রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি একদিকে মমতাকে অস্বস্তিতে ফেলবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

ধনকড় উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীঃ রাজস্থানের ভোট না তৃণমূলের স্বস্তি? চর্চা রাজনৈতিক মহলে

বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র তরফে উপরাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা এনডিএ শিবিরের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঠিক করতে বৈঠক বসেন। ওই আলোচনাতেই জগদীপ ধনকড়ের নাম প্রার্থী হিসাবে চূড়ান্ত হয়।সাংবাদিক বৈঠকে জেপি নাড্ডা বলেন, উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই বিজেপির সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে কৃষক পরিবারের সন্তান জগদীপ ধনকড়কে এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপরই টুইট করে জগদীপ ধনকড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে শাসক-বিরোধী একমত হয়নি। এনডিএর আদিবাসী প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তার আগে বিরোধীদের একমঞ্চে নিয়ে এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেসই। তৃণমূলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা বিরোধীদের তরফে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। উপরাষ্ট্রপতি পদে আগে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিরোধীদের চাপে ফেলল এনডিএ। নাড্ডা উপরাষ্ট্রপতি পদে তাঁদের প্রার্থী সকলের সমর্থন পাবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।২০১৯-এর ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন জগদীপ ধনকড়। তারপর গত তিনবছর প্রায় প্রতিটি ইস্যুতে রাজ্যপালের সঙ্গে নিয়ম করে সংঘাত বেধেছে রাজ্য সরকারের। বিতর্কে জড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেস রাজভবনকে বিজেপির রাজ্যের প্রধান কার্যালয় বলেও সোচ্চার হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শুধু সমালোচনা করেই ক্ষান্ত থাকেননি জগদীপ ধনকড়, তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে নিয়মিত রিপোর্টও দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ধনকড় উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী হওয়ায় হাঁফ ছাড়ল তৃণমূল। যদিও পরবর্তী ক্ষেত্রে বাংলায় কে রাজ্যপাল হবেন, তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।জগদীপ ধনকড়কে উপরাষ্ট্রপতি পদে বেছে নেওয়ার পিছনে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ২০২৩ সালে রাজস্থানের ভোটের কথা বলছেন। কারণ, রাজস্থান এখন কংগ্রেসের দখলে। জাঠ ভোট নিজেদের দখলে নিয়ে আসার চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। রাজস্থানের মানুষকে বার্তা দিল বিজেপি। পাশাপাশি সংবিধান নিয়ে তাঁর পান্ডিত্যের কথা বলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। আইন বিশেষজ্ঞ উপরাষ্ট্রপতি হওয়ার সুবিধাও পাবে কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ১৬, ২০২২
রাজনীতি

শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত দিলীপ ও মুকুলের

শুধু শুভেন্দু নন, দলের যাঁরা সিনিয়র লিডার, যাঁদের জন্য দল ক্ষমতায় এসেছে, তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তৃণমূলে নিশ্চয়ই কোনও গন্ডগোল আছে। দলে এলে স্বাগত জানাব। আমরা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। শুভেন্দুর ইস্তফা প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি আরও বলেন, পিকের টিমের সদস্যরা রোজই দলের নেতা-সাংসদ-বিধায়কদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা বলছে। কিন্তু একজন বুথস্তরের কর্মীও দল ছেড়ে যাবে না। আরও পড়ুন ঃ জিতেন্দ্রর সঙ্গে ফোনে কথা মমতার এছাড়াও বিধায়ক পদ থেকে শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফা নিয়ে মুকুল রায় বলেন, শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়েছেন, অত্যন্ত সুখবর। বাংলার গণ আন্দোলনের পক্ষে বড় সিদ্ধান্ত। পিকের প্রসঙ্গে মুকুলবাবু বলেন, পয়সা নিয়ে কাজ করছে নাকি দলে কোনও পদে আছে, পিকেকে নিয়ে অবস্থান এখনও স্পষ্ট করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা তৃণমূল করছেন, তাঁদের দমবন্ধ হয়ে আসছে। আমি মনে করি, শুভেন্দু বিজেপিতে এলে ভালো হবে। সুযোগ হলে কথা বলব।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

আমি একশোবার চাইব, রাজ্যে ৩৫৬ জারি হোকঃ মুকুল

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তিনি রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানান। মুকুল রায় বলেন, আমি একশোবার চাইব, বাংলায় অবিলম্বে ৩৫৬ ধারা জারি প্রয়োজন। সিঙ্গুর থেকে টাটাকে তাড়িয়ে দেওয়াটা বড় ভুল। শিল্প সম্মেলনের খরচ নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ৯টা মেলা হয়েছে কিন্তু সেই হিসেবে বিনিয়োগ হয়নি। শিল্প সম্মেলন হলেও বিনিয়োগ হয়নি। আর যে সকল বাণিজ্যিক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে ছিল, তারাও সিন্ডিকেটের অত্যাচারে রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে। এছাড়াও শিল্প সম্মেলনে কত খরচ হয়েছে, শ্বেতপত্র দিয়ে তা জানাক রাজ্য সরকার, এমনটাও দাবি জানান মুকুল। আরও পড়ুন ঃ অভিমান মেটাতে রাজীবকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দিতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব সিপিএম আমলে যে বেকারদের হাহাকার দেখা গিয়েছিল, বর্তমান তৃণমূল সরকার সেই প্রথাই এগিয়ে নিয়ে চলেছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার প্রায় ১৮ শতাংশের মতো। রাজ্যপালকে সংবিধানের পাঠ পড়ানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল। প্রাথমিক শিক্ষকদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রাজ্য সরকার, তাও হাইকোর্টের নির্দেশে তা খারিজ হয়ে গিয়েছে। বিজেপি যুবমোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ বলেন, আগামী ৫ বছরে ৭৫ লাখ যুবকের কাছে যাব। সরকারি ও বেসরকারিভাবে সকলকে কাজের সুযোগ তৈ্রি করে দিতে পারব। রবিবারই প্রথম কার্ডের রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। বেকারদের নাম, ঠিকানা লিখে নিয়ে আসব। চাকরির প্রতিশ্রুতি কার্ড দেব। রাজ্যে প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন সৌমিত্র খাঁ। সৌমিত্র খাঁ বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধানঃ কৈলাস

সোনা, কয়লা মাফিয়া কে? চলছে ভাইপোর সরকার। বাবা সাহেব আম্বেদকরের সংবিধান মেনে দেশ চলে। অম্বেডকর নয়, রাজ্যজুড়ে চলছে ভাইপোর সংবিধান। রবিবার সংবিধানের প্রণেতা বি আর অম্বেডকরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রেড রোডে বিজেপির সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন বিজেপি সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন, বাংলায় কয়লা চোর কে, মানুষ সবই জানেন। বাংলায় বিরোধীদের সম্মান নেই, দমনের চেষ্টা চলছে। কুর্সির জন্য নয়, বাংলাকে বাঁচাতে প্রাণ দিচ্ছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্যে লুঠপাট চালাচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বহিরাগত। রোহিঙ্গারা কী? তৃণমূল সরকারের কাছে বহিরাগতরাই আপন। বাংলাজুড়ে চলছে ধর্মের ভিত্তিতে তোষণের রাজনীতি। মমতার নাটক ধরে ফেলেছে বাংলার মানুষ। ২৫ লক্ষ টাকার চশমা পরেন ভাইপো। ৭৫ হাজার টাকার জুতো পরেন ভাইপো। যাঁরা পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন, তাঁদের অভিশাপ পড়েছে। মমতা, আপনি দমানোর চেষ্টা করলেও, পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি তৃণমূলের থেকে ভয়ঙ্করঃ সুশান্ত ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে কৈলাস আরও বলেন, কৃষি আইনের বিরোধিতা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেকোনও জায়গায় বাংলার কৃষকরা ফসল বিক্রি করতে পারেন। কেন্দ্রেরও একই আইন, তাও মমতার দ্বিচারিতা। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর প্রশ্ন, কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করছেন। কিন্তু এ রাজ্যে কৃষকদের জন্য কিছু করতে গেলেই আপত্তি করেন কেন? শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চায় না মমতার সরকার। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রের রেশন। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া শুরু। বিজেপিতে আসার পরেই মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে ৪৫টি মামলা। অন্যদিকে, মুকুল রায় বলেন, সিএএ আইনের রূপায়ণ শুরু জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি থেকে। আর কয়েকদিন বাদেই বাংলায় ভোটে সবাই অংশ নিন। ২০২১-র লড়াইয়ে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতেই হবে। ২০০-র বেশি আসনে বিজেপিকে জেতাতেই হবে। আগামী দিনে অনুবিক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হবে তৃণমূলকে। আমাদের সভা করতে দেবে না বলছে, ইতিহাসের দেওয়াল লিখন পড়তে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ সিআইডির

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস খুনের মামলায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। শনিবার এটি আদালতে জমা পড়েছে। খুনের ষড়যন্ত্রে মুকুল রায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৩০২ ও ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুকুল রায় ছাড়াও এই খুনের ঘটনায় রাণাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে আগেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পণ্ডারি ও আরও একজনের সঙ্গে খুনের আগে ও পরে ফোনে কথা বলেছিলেন জগন্নাথ। জগন্নাথ সরকার এই খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ সিআইডির। এফআইআরে নাম ছিল মুকুলের। সন্দেহভাজন হিসেবে আগে জমা দেওয়া চার্জশিটে নাম ছিল মুকুলের। আরও পড়ুন ঃ মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ এদিন মুকুল রায় বলেন, সত্যজিত বাচ্চা ছেলে। আমি এই খুনের ব্যাপারে জানি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো পুলিশমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশেই তো এই চার্জশিট হয়েছে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, বুকে হাত দিয়ে বলুন , মুকুল কি খুন করতে পারেন ? তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে ৪৪টি মামলা আছে। আমার আইনের উপর ভরসা আছে। আইনের পথেই লড়ে নেব। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি গুলি করে খুন করা হয় সত্যজিত বিশ্বাসকে। সেই খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তখন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিল আদালত। তবে আদালত জানিয়েছিল, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে সহযোগিতা করতে হবে। নদিয়া জেলায় যেতে পারবেন না তিনি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুর দলবদল নিয়ে প্রত্যয়ী মুকুল

নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা চরমে উঠেছে। সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। শুক্রবার সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মন্ত্রিত্ব থেকে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু। সময়েই বলবে কোন পথে পা বাড়ান। আগামী দু, একদিনের মধ্যেই ইতি পড়বে। তবে উনি বিজেপিতে যোগদান করবেন বলে আমি আশাবাদী। প্রসঙ্গত, রবিবার শুভেন্দু অধিকারীর সভা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। সেই সভা থেকেই তিনি আগামী পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারেন বলে জোর জল্পনা। তার মাঝেই মুকুল রায়ের এই মন্তব্য স্বভাবতই শুভেন্দুকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুনঃ যাঁরা দলবিরোধী কাজ করছেন তাঁদের সরিয়ে দিন, শিশির অধিকারীকে নির্দেশ মমতার উল্লেখ্য, রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেওয়ার পর সপ্তাহখানেক কেটে গিয়েছে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই আগুনে প্রতিদিন ঘি দিচ্ছে তৃণমূল - বিজেপি দুপক্ষ। অরাজনৈ্তিক সভা করলেও সেখানে শুভেন্দু এ বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করছেন না। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে্র পর তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে , সে বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহল। শুভেন্দুর সঙ্গে আর কোনওরকম আলোচনা করা হবে না, তৃণমূলের সূত্র মারফত এমনটাও জানা গিয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপি তাঁকে পেতে কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছে। বঙ্গের একাধিক বিজেপি নেতার কথাবার্তায় তা একেবারে স্পষ্ট। এখন শুভেন্দু অধিকারী কবে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল

শুভেন্দু এখনও তৃণমূলের বিধায়ক। তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপিতে এলে স্বাগত। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তিনি বলেন, শুভেন্দু গণআন্দোলনের নেতা। ও যদি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিজেপিতে স্বাগত। শুভেন্দু যে দলে আছে সেই দলের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেছে, দল নজর রেখেছে। সৌগত রায়ের গতকালের মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, বয়স হয়ে গেলে অনেক কিছু ভুলে যান। তৃণমূল বলে এখন কিছু নেই। যে যার নিজের মতো চলে। কর্মী স্বেচ্ছাসেবক ও দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে পার্থক্য আছে। আরও পড়ুন ঃ একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়, সৌগতকে জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু শুভেন্দু এলে বিজেপির পক্ষে লাভজনক হবে। আমি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বলছি। শুভেন্দু এলে ভোট ব্যাঙ্ক সঙ্গে আসবে। এতেই লাভ হবে বিজেপির। মুকুলের আরও সংযোজন, পিকে কে? পিকের অবস্থান কি? শুভেন্দু এখন আমার ছোট ভাই। যখন সহ সভাপতি হয়েছিলাম ও শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। ওদের পরিবারের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের

অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাইপাসের একটা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে এসেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও তাঁকে দেখতে আসেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মুকুল রায়কে দেখে এসে দিলীপবাবু বলেন, মুকুলদা এখন ভালো আছেন। তিনি খুব শীঘ্রই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আজ সকালে তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। দু-একদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটিও দেওয়া হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন দলীয় নেতা - কর্মীরা।

নভেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টি! কোন জেলায় অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা?

বর্ষার মরশুমে প্রথম বড় আবহাওয়াগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে, যা আগামী কয়েকদিন একই এলাকায় অবস্থান করে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। এর প্রভাবেই শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একাধিক জেলায় জারি হয়েছে হলুদ (Yellow Alert) এবং কমলা (Orange Alert) সতর্কতা।নিম্নচাপের জেরে বাড়বে বৃষ্টির দাপটআবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।শুক্রবার কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শনিবার দুই জেলায় কমলা সতর্কতাশনিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিচু এলাকায় জল জমা, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।রবিবার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে এই জেলাগুলিতেরবিবার নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।অতিভারী বৃষ্টির (৭০২০০ মিমি) সম্ভাবনা রয়েছেপশ্চিম মেদিনীপুরঝাড়গ্রামবাঁকুড়াপুরুলিয়াএই চার জেলার জন্য জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।এছাড়াও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।সোমবারও মিলবে না স্বস্তিসোমবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নলিখিত জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারেপূর্ব মেদিনীপুরপশ্চিম মেদিনীপুরদক্ষিণ ২৪ পরগনাপশ্চিম বর্ধমানবাঁকুড়াপুরুলিয়াবীরভূমকবে থেকে কমবে বৃষ্টি?আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তবে বুধবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটতে সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।মৎস্যজীবীদের জন্য জরুরি সতর্কতাবঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকার আশঙ্কায় সোমবার পর্যন্ত উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সমুদ্রে প্রবল বাতাস এবং উঁচু ঢেউয়ের কারণে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের পরামর্শপ্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে জলাবদ্ধ এলাকায় যাতায়াত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটের দিকে নজর রাখারও আবেদন করা হয়েছে।বর্ষার শুরুতেই তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকে নজর রয়েছে আবহাওয়াবিদদের। আগামী চার দিন রাজ্যের আবহাওয়া যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন এবং যান চলাচলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এবার আর রক্ষা নেই! নিম্নচাপের দাপটে বাংলায় প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা সবচেয়ে ঝুঁকিতে?

জুন মাসে বৃষ্টির ঘাটতি থাকলেও জুলাইয়ের শুরুতেই বদলে গেল আবহাওয়ার ছবি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুতেরও আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও একদিনে প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার কলকাতার জন্যও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।এই বৃষ্টি একদিকে কৃষকদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে। নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়ো হাওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনও ব্যাহত হতে পারে।নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রও উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। সেই কারণে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সুন্দরবন উপকূল এলাকায় পুলিশ ইতিমধ্যেই মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিতে শুরু করেছে। যাঁরা আগে থেকেই মাছ ধরতে গিয়েছিলেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টির জেরে নদীভাঙনের আশঙ্কাও বাড়ছে। বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় ডাঙ্গি এলাকার নদীতীরে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বনাঞ্চলের একের পর এক গাছ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে বাড়িঘর, চাষের জমি এবং বনাঞ্চলের বড় অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে। তবে একই সময়ে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
বিদেশ

পাঁচ দিন ধ্বংসস্তূপের নিচে! শেষমেশ যা করল ছোট্ট কুকুরটি, চোখে জল নেটদুনিয়ার

ভয়াবহ ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলা। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর মাঝেই সামনে এল এক আশ্চর্য ঘটনা। ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা প্রায় পাঁচ দিন আটকে থাকার পর জীবিত উদ্ধার হল জিসেল নামে একটি পোষ্য কুকুর। সেই উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই আবেগে ভাসছে সমাজমাধ্যম।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা রাজ্যের কারাবাল্লেদা এলাকা থেকে জিসেলকে উদ্ধার করেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। গত বুধবার অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই বিপর্যয়ে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে এবং প্রাণ হারান এক হাজার নয়শোরও বেশি মানুষ।উদ্ধারের পর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনতেই উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যের মুখ চেটে দেয় জিসেল। আনন্দে লেজ নাড়াতে থাকে সে। এরপর তাকে জল খাওয়ানো হয় এবং তার শরীরে কোনও গুরুতর আঘাত রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করেন চিকিৎসকেরা।উদ্ধারের এই ভিডিও ভাগ করে নিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দেন এল সালভাদরের রাষ্ট্রপতি নায়িব বুকেলে। তিনি জানান, দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর জিসেলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আবেদন করেন, যদি কেউ কুকুরটির মালিক হন, তবে প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেখিয়ে উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। অসংখ্য মানুষ জিসেলের বেঁচে ফেরাকে অলৌকিক বলে উল্লেখ করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, উদ্ধারকারীদের প্রতি ছোট্ট প্রাণীটির কৃতজ্ঞতার প্রকাশ সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।একজন লিখেছেন, একটি অবলা প্রাণীর ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতার মতো নির্মল অনুভূতি খুব কমই দেখা যায়। আবার আরেকজনের মন্তব্য, মানুষের উচিত প্রাণীদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার শিক্ষা নেওয়া। আরও একজন লেখেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কত নিরীহ প্রাণী আটকে রয়েছে, সেই কথা ভাবলেই মন ভারী হয়ে যাচ্ছে। জিসেলের এই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন তাই শুধু একটি উদ্ধার নয়, ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যেও নতুন আশার আলো হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০২, ২০২৬
রাজ্য

ভোর হতেই বড় অভিযান! শওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফেতে বুলডোজার, মুহূর্তে গুঁড়িয়ে গেল সব

মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনিভাবে ক্যাফে তৈরির অভিযোগে শওকত মোল্লার ছেলে ইমরানের ক্যাফে ভাঙার কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন। আগেই সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও সেই নির্দেশ মানা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসন নিজেই বুলডোজার নামিয়ে অভিযান চালায়।ভোর থেকেই ক্যাফের সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদেরও রাখা হয় ঘটনাস্থলে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে শুরু হয় ভাঙার কাজ। প্রথমে বুলডোজার দিয়ে ক্যাফের প্রধান প্রবেশদ্বার ভেঙে ফেলা হয়। এরপর একে একে ভেঙে দেওয়া হয় ক্যাফের ভিতরের বিভিন্ন নির্মাণ এবং সাজানো বাগানের অংশ।এর কয়েক দিন আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নোটিস দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্যাফে ভেঙে ফেলতে হবে। অন্যথায় প্রশাসন নিজেই ব্যবস্থা নেবে। নোটিসের পর ক্যাফে থেকে আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ ভাঙা হয়নি। এরপরই প্রশাসন আইন অনুযায়ী অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।এই ভাঙার কাজ ক্যানিং পূর্বের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি জমির উপর বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুনানি করা হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিজ উদ্যোগে নির্মাণ সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সরকারি নিয়ম মেনেই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এই ক্যাফে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশাসন তদন্ত শুরু করে। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করা হল।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়াকে ঘিরে হামলার অভিযোগ, এবার পাশে সিপিএমের বিকাশ! এক মন্তব্যেই শুরু নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক

কালীগঞ্জে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে হেনস্থার অভিযোগের ঘটনায় এবার তাঁর পাশে দাঁড়ালেন সিপিএম নেতা ও প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও একজন নির্বাচিত সাংসদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।বুধবার কালীগঞ্জে একটি বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, সেই সময় বৈঠক চলাকালীন বাইরে জড়ো হওয়া একদল বিক্ষোভকারী ঘরের জানালা লক্ষ্য করে ডিম, কাদা এবং গোবর ছুড়তে শুরু করেন। পাশাপাশি চোর বলে স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় মহুয়া সমাজমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, জানালা দিয়ে একের পর এক ডিম ছোড়া হচ্ছে এবং তা ঘরের ভিতরেও এসে পড়ছে। এই ঘটনার জন্য দলের একাংশের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য লেখেন, মহুয়া মৈত্র তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হতে পারেন, কিন্তু তিনি একজন সাংসদ। তাঁর বিরুদ্ধে জুলুমবাজির কোনও অভিযোগ তাঁর জানা নেই। তাই যেভাবে তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে, তা একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জাজনক। এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সকল সচেতন মানুষের প্রতিবাদ করা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় নিজের অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর পক্ষে আদালতে সওয়াল করায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে প্রয়োজনে আদালতে দাঁড়াতেও আপত্তি নেই বলে তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।এদিকে কালীগঞ্জের ঘটনায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি এই ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছেন। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে।ঘটনার প্রকৃত দায় কার, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত থাকলেও কালীগঞ্জের এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

তিলোত্তমা মামলায় বিস্ফোরণ! ভিসেরা নমুনা নষ্টের অভিযোগে সামনে চাঞ্চল্যকর চিঠি, আদালতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের সামনে এল নতুন বিতর্ক। এবার রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য রাখা নমুনা নষ্ট ও বদলে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। এই অভিযোগের ভিত্তি একটি চিঠি, যা সম্প্রতি তিলোত্তমার বাবার কাছে পাঠিয়েছেন এক প্রাক্তন ফরেনসিক আধিকারিক।পরিবারের দাবি, ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছেন। আরও অভিযোগ, তিলোত্তমার লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা পরে বদলে ফেলা হয়। এই নমুনাগুলির মাধ্যমে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া হয়েছিল কি না বা তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কি না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই গুরুত্বপূর্ণ নমুনা আর আগের অবস্থায় ছিল না।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগার থেকে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর সময়ও ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজ হয়েছে বলেও ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।তিলোত্তমার পরিবারের সিদ্ধান্ত, এই চিঠি শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হবে, যাতে অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে খুন হওয়া বিজেপি ও সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও একই তিন আধিকারিক ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুলাই ০২, ২০২৬
দেশ

প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, কেউই রেহাই পাবেন না! এক নতুন বিলে বদলে যেতে পারে দেশের রাজনীতি

দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী গুরুতর অপরাধের মামলায় টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলে তাঁকে পদ ছাড়তে হতে পারে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকা সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে আবারও জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনেই এই বিল নিয়ে আলোচনা এবং পাসের উদ্যোগ নিতে পারে কেন্দ্র।জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ জুলাই যৌথ সংসদীয় কমিটি এই বিল নিয়ে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে পারে। সেই রিপোর্টে বিতর্কিত ধারাটি বহাল থাকতে পারে বলেই খবর। প্রস্তাব অনুযায়ী, যে সব অপরাধে পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে, সেই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী যদি টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকেন, তবে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হতে পারে।তবে আইন যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়েও কিছু সুরক্ষামূলক সুপারিশ রিপোর্টে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনেই বিলটি সংসদে তোলা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তামিলনাড়ুর তৎকালীন মন্ত্রী ভি সেন্থিল বালাজি গ্রেফতার হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ঘটনার পরই গত বছর এই সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।বিরোধীদের প্রবল আপত্তির জেরে বিলটি সরাসরি পাস না করে যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গীর নেতৃত্বে একত্রিশ সদস্যের একটি কমিটি বিলটি খতিয়ে দেখছে। তবে তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কমিটিতে যোগ দেয়নি।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমান সংসদীয় সমীকরণে সরকার এই বিল পাস করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন আদায় করতে পারে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ সংবিধান সংশোধনের জন্য লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই আসন্ন বাদল অধিবেশনে এই বিল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে।উল্লেখ্য, এই বিল এখনও আইন হয়ে যায়নি। সংসদের উভয় কক্ষে পাস হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই এটি কার্যকর হতে পারে।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

এক সপ্তাহও টিকল না রক্ষাকবচ! পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত থেকে গ্রেফতার দেবরাজ, সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার হলেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ অভিযান বাহিনী। তোলাবাজি ও হিংসার মামলায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দেবরাজ চক্রবর্তী একসময় উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার যুব নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন। পাশাপাশি রাজারহাট, নিউটাউন ও বাগুইআটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ। বহুদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয়দের একাংশও এই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি পূর্ণেন্দু বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরে সুজিত বসুর সঙ্গে কাজ করতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে নিজের সাংগঠনিক প্রভাব বাড়ান। পরবর্তী সময়ে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিতি পান।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এলাকার প্রোমোটারদের হুমকি দেওয়া, তোলাবাজি এবং অর্থ আদায়ের মতো একাধিক অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে দেবরাজের বিরুদ্ধে জমা পড়েছিল। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় সরকারি কর্মীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে উঠেছিল বলে দাবি করা হয়েছে।দেবরাজের স্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির নামও এখন আলোচনায়। অভিযোগ, বিধায়ক থাকাকালীন এলাকায় সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণের বড় অংশই সামলাতেন দেবরাজ। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে অদিতি মুন্সির কোনও ভূমিকা বা তথ্য ছিল কি না। প্রয়োজনে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রের দাবি।এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং আগেই অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদতেই দেবরাজ উত্তর চব্বিশ পরগনায় দুর্নীতির বিস্তৃত জাল গড়ে তুলেছিলেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কোনও আদালত-স্বীকৃত প্রমাণ সামনে আসেনি।অন্যদিকে, নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্রে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা ও আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। দেবরাজের গ্রেফতারের পর এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, দেবরাজের সম্পত্তির একটি অংশ অদিতি মুন্সির নামেও ছিল। পাশাপাশি তিনি আরও একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন এবং তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখার দাবি জানান।উল্লেখ্য, আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি। চার মাসের সন্তানের বিষয়টি বিবেচনা করে আদালত অদিতি মুন্সিকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও দেবরাজের আবেদন খারিজ করে দেয়। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার করা হল তাঁকে। এখন তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুলাই ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal